দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে চুনকুটিয়া এলাকার, ঝিলমিল হাসপাতালের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসায় মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

গত ২৫ জুলাই নিহত আবু হানিফ পাইলস রোগের চিকিৎসার জন্য কেরানীগঞ্জে কদমতলী এলাকার ইবনে সিনা হাসপাতালের সার্জারি বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক ডক্টর মোহাম্মদ আবু খায়ের এর নিকটে যান। তার পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পাইলস রোগের অপারেশনের জন্য ঝিলমিল হাসপাতালে ২৭ তারিখ বিকেল পাঁচটায় ভর্তি হলে অপারেশনের থিয়েটারে রাত ১১ টায় নেয়া হয়, এক ঘণ্টার অপারেশন শেষে হাসপাতালের বিছানা আবু হানিফকে দেয়া হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ‌ পরিবারের।

নিহত আবু হানিফের পরিবার এবং প্রতিবেশীরা বলছে, অপারেশন করা ডাক্তার মোহাম্মদ আবু খায়ের রোগীকে তড়িঘড়ি করে বুঝিয়ে দিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন। এবং হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তাররা একের পর এক স্লাইন, সাপ্লিমেন্ট এবং ইনজেকশন পুশ করে আবু হানিফকে মেরে ফেলেছে। বিষয়টিকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন।

ঝিলমিল হাসপাতালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তুহিন তিনি জানান হাসপাতালে নেই। দায়িত্বরত স্টাফের সাথে কথা বলতে তখন ম্যানেজার,নারায়ন সরকার

বলেন: ভুল চিকিৎসায় কিনা তা জানিনা, রাত ১টা ১৮ মিনিটে রোগীর অবস্থার অবনতি হলে তাকে বাঁচাতে মিটফোর্ড হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

অপারেশন করা ডাক্তারের ডাঃ মোহাম্মদ আবু খায়ের নিকট যোগাযোগ করলে তিনি বলেন: চিকিৎসায় ভুল নেই , অপারেশন করে তাকে হাসপাতালের বিছানায় দেয়া হয়েছে। স্টক করতে পারে।

তাৎক্ষণিকভাবে, নিহতের পরিবার মরদেহটিকে হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই গ্রহণ করে দাফনের জন্য গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায়। দাফন শেষে মামলার প্রস্তুতি নিবে বলে জানায় তারা

নিহত আবু হানিফ চুনকুটিয়া চৌরাস্তা এলাকার শরীফের বাড়ির তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে ভাড়াটিয়া। পরিবারে তিন সন্তান এবং স্ত্রী রয়েছে।

তিনি পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার দক্ষিণ লক্ষ্মীপাশা কাশিমপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।

এই ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক হরি চাঁদ জানায়, নিহতের পরিবার ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নিতে চেয়েছে থানা থেকে অনুমোদন করিয়ে দেয়া হয়েছে। যদি তারা অভিযোগ বা মামলা করতে চায় থানা থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।