মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার টেংগারচর গ্রামের এক নারী ও হোসেন্দী বাজারের এক মোবাইল ব্যবসায়ীকে ঘিরে সোনারগাঁ এলাকায় চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘদিনের কথিত পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগের জেরে সোনারগাঁয়ে তাদের গণধোলাই দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, টেংগারচর গ্রামের মুরগি ব্যবসায়ী শাহআলমের মেয়ে সোনিয়া (৩৫) পেশায় পার্লারে কাজ করেন। তিনি এক সন্তানের মা। অপরদিকে, গজারিয়ার নতুন চর গ্রামের শফিউদ্দিন (৩০) হোসেন্দী বাজারে মোবাইল ব্যবসা করেন এবং তিনি অবিবাহিত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সোনিয়া ও শফিউদ্দিনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চলছিল। তারা বিভিন্ন সময় একসঙ্গে বাইরে যাতায়াত করতেন এবং আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টে অবস্থান করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আগে থেকেই আলোচনা ও সন্দেহ ছিল।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, তাদের চলাফেরা নিয়ে নজরদারি করছিলেন কয়েকজন। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি তারা দুজন সোনারগাঁ এলাকায় ঘুরতে গেলে কয়েকজন তাদের অনুসরণ করেন। একপর্যায়ে তাদের গতিবিধি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা দ্রুত একটি মার্কেটের ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে তাদের অনুসরণ করে সেখানে পৌঁছে কয়েকজন লোক তাদের আটক করে মারধর করেন।

স্থানীয়দের আরও দাবি, ওই নারীকে ঘিরে এর আগেও একই ধরনের অভিযোগ এলাকায় উঠেছিল। তবে পূর্বের অভিযোগের বিষয়ে কোনো মামলা বা আইনগত নথির তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে গণধোলাইয়ের ঘটনায় আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।