ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে মাদকের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে আলোচনায় আসা কোটচাঁদপুর মডেল থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজাদ রহমানের বদলি ঘিরে শহরজুড়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেন ওসি আজাদ রহমান। স্থানীয়দের দাবি, অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি মাদকবিরোধী ১০-১১টি অভিযান পরিচালনা করেন। এসব অভিযানে মাদকসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং কোথাও কোথাও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজাও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
মাদকবিরোধী এই ধারাবাহিক অভিযানে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি তৈরি হলেও হঠাৎ তাঁর বদলির খবরে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শহরজুড়ে আলোচনা চলছে—মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়াই কি তাঁর বদলির কারণ? নাকি এটি নিছক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত?
স্থানীয়দের একটি অংশের অভিযোগ, কোটচাঁদপুরে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে একটি শক্তিশালী চক্র জড়িত। তবে এই চক্রের প্রভাব বা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির কারণে ওসি আজাদ রহমানের বদলি হয়েছে—এমন দাবির নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।
তবে বদলির কারণ নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা না আসায় প্রশ্ন উঠছে—
মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো একজন কর্মকর্তার বদলি কি কেবল প্রশাসনিক রুটিন, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে?
কোটচাঁদপুরবাসীর প্রত্যাশা, মাদকবিরোধী অভিযান যেন কোনোভাবেই থেমে না যায় এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকে।