
শহরের ঐতিহাসিক পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরে জেলা প্রশাসন, সামাজিক বন বিভাগ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এই মেলার আয়োজন করা হয়।
আজ সকালে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে মেলার শুভ উদ্বোধন করেন ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। উদ্বোধনের পর পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার মেলা প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এরপর মেলা চত্বরে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ পৃথিবী গড়তে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশকে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে হলে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর সঠিক পরিচর্যাও করতে হবে। বক্তারা নতুন প্রজন্মকে গাছ লাগাতে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত তিনটি করে (ফলজ, বনজ ও ঔষধি) গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।
মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেছে, পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বরে সারিবদ্ধভাবে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন নার্সারির স্টল। সেখানে দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির ফলজ, বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী ইনডোর প্ল্যান্টের চারা গাছের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। উদ্বোধনী দিনেই মেলা প্রাঙ্গণে বৃক্ষপ্রেমী ও সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ফলজ ও ছাদবাগানের উপযোগী চারা কেনায় ঝোঁক বেশি দেখা গেছে দর্শনার্থীদের।
অনুষ্ঠান শেষে মেলা চত্বরে একটি করে গাছের চারা রোপণ করেন অতিথিবৃন্দ। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিনামূল্যে উন্নত জাতের চারা বিতরণ করা হয়। দৈনিক সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই মেলা সর্বসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।
Leave a Reply