
যশোর সদর উপজেলার রামনগরের আনোয়ার হোসেন বিপুলের নির্দেশে মশাল মিছিলের ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় ১৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। কোতোয়ালি থানার এসআই ফজলুল হক বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। এ মামলায় রোববার রাতে ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। পৃথক আরও দুটি মামলায় আরও চারজনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক নয়জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার আসামিরা হলেন, সাবেক পৌর মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, সাবেক কাউন্সিলার হাজি সুমন, যুবলীগ নেতা সাইদুজ্জামান বাবু ওরফে দাতাল বাবু, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আতিকুর বাবু, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফন্টু চাকলাদার, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল, সাবেক চেয়ারম্যান মাহামুদুল হাসান লাইফ, দলেননগরের হবিবর রহমান, উপশহরের সাবেক চেয়ারম্যান এহসানুল হক লিটু, উপশহরের মুনসুর আলী, চিমা, নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রাজু, চুরামনকাটি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মান্নান মুন্না, ঝুমঝুমপুরের জাভেদ, বালিয়াডাঙ্গার রবিউল ইসলাম, সুলতানপুরের শেখ সোহরাব হোসেন, ধর্মতলার বাবু পালোয়ান, দেয়াড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান, চাঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শামীম রেজা, লেবুতলা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলিমুজ্জামান মিলন, কাজীপাড়ার আব্দুল্লাহ, নওদাগ্রামের শরিফুল ইসলাম, বাহাদুরপুরের কামরুজ্জামান, আমিরুল ইসলাম, কাশিমপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান সাগর, ইব্রাহিম মেম্বার, জিরাট গ্রামের ইউসুফ, ঘোষপাড়ার টুটুল, মামড়াখোলার নুর-এ-আলম পলাশ, মীর আইয়ুব আলী, কচুয়ার মুক্ত খান, খোলাডাঙার টিটো গাজী, হুলিহট্ট গ্রামের আলমগীর হোসেন, খোলাডাঙার শিশু শাকিল, অন্তর, হ্যাচারীপাড়ার ছোট বাবু, সুজলপুরের গোপাল, যুবলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম লাবু, পুরাতন কসবার কামাল হোসেন পর্বত, মনি, জোলা আমদাবাদের শরিফুল, সোহান, বাবলু, ওয়াসেল, রবি, জাহাঙ্গীর, আব্দুল্লাহ, সুজন, পট্টি, শফিকুল ইসলাম সুজন, শাওন, সবুজ, আরিফ, আহাদুল, ডাবলু, কাজীপাড়ার মিলন, ষষ্ঠীতলার আনোয়ার হোসেন বাবু, বেজপাড়ার সাগর, হৃদয়, সুজন, নিপু, আকাশ, রনি, খড়কির আক্তারুজ্জামান ডিকু, জিসান, কসবা দিঘীর গোলাম, কারবালার হাফেজ, বকচরের আলিফ, বকচর চৌধুরীপাড়ার সুলতান মাহমুদ পরান, আলিফ, নীলগঞ্জ রোডের ইব্রাহিম, বকচরের জুয়েল, একই এলাকার মাসুদ রানা, গুলগুল্লামোড়ের সেলিম, ঘোপ বউবাজারের তামিম, ঘোপ বেলতলার হাসেম আলী, একই এলাকার সোহাগ, রাব্বী, ঘোপ কবরস্থান এলাকার পিয়াস, পাওয়ার হাউসপাড়ার লিখন, পুরাতন কসবার মইনুদ্দিন মিঠু, পুরাতন কসবার আরিফ, কামরুল ইসলাম, কাঠালতলার টাক টুটুল, পোলতাডাঙার বিপ্লব বকশী, খালধার রোডের জাহিদ হাসান টুটুল, বারান্দীপাড়ার কামাল হোসেন, কাজীপাড়ার জাহিদ হোসেন, ইকরামুল, আন্দুলপোতার ওহেদুল ইসলাম, ইমদাদুল সরদার, দলেননগরের রোকন হোসেন, সরোয়ার হোসেন, জোলা আমদাবাদের রবি, জামির, ডাবলু, তেঘরিয়ার জিয়াউর, সিরাজসিংহার ইকবাল মেম্বার, ডহরসিংহার শাহাজান, বাচ্চু, তাজমুল, কাজীপুরের মসলেম, সিরাজসিংহার মেহেদী হাসান মেম্বার, রামনগরের হাসানুর রহমান হাসু, মুকুল, টিপু, টুটুল, কামালপুরের নজরুল ইসলাম, রামনগরের রফিক মেম্বার, গোপালপুরের জাজিদুল রহমান পিন্টু, উপশহরের ইমরান হোসেন, রূপদিয়ার টুটুল, রামগড় বিহারী কলোনির ইমন, সাগর, রমজান, মোল্লাপাড়ার রাকিব, নরেন্দ্রপুর দফাদারপাড়ার আলমগীর হোসেন ভুট্ট, শ্রপদ্দী পূর্বপাড়ার হৃদয়, নরেন্দ্রপুর পোস্ট অফিসপাড়ার সবুজ,চাউলিয়ার মোর্তজা,জিরাট রেলগেটের ইউসুফ, চাউলিয়ার জাহিদ,ডুমদিয়া খালপাড়ার আবু তালেব,একই গ্ৰামের ইমরান হোসেন, নীলগঞ্জ তাতীপাড়ার রিপন,হেলাঞ্চীর আব্দুল আলীম, মুরাদ উদ্দিন,দীপংকর কুমার, গোবিন্দপুরের হাসিবুর রহমান, বাঘারপাড়ার পান্তাপাড়ার জি এম, রায়পুরের শেখ লিয়ন, সদর উপজেলার ডহরসিংহার মিজান।
মামলায় বাদী উল্লেখ করেন গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯ টার দিকে তার কাছে খবর আসে, রামনগর মুড়লী এলাকায় একদল যুবক রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তাৎক্ষণিক সেখানে গেলে দেখতে পান ১৮০ থেকে ২০০ জন নেতাকর্মী ১৫ আগষ্ট শোক দিবসকে কেন্দ্র করে মশাল মিছিল করছে।
এমনকি তারা জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনার ভয় নাই রাজপথ ছাড়ি সহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছিল। এমন সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
পরে জানা যায়, মিছিলটির সার্বিক আয়োজন করেছিলেন আনোয়ার হোসেন বিপুল। এ মামলায় গ্রেফতারকৃত হলেন পুরাতন কসবার ফারদিন দুর্জয়, ওহিদুল ইসলাম শেখ,ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের রাকিবুল রহমান,টালিখোলা পুলিশ লাইনের আল আমিন এবং মনোহরপুরের সম্রাট হোসেন।
এছাড়াও সোমবার রাতে আরো দুটি নাশকতা মামলায় ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলেন পুরাতন কসবার সোহাগ খলিফা, সাবেক ইউপি মেম্বার নুরুল ইসলাম,কোদালিয়ার সাবেক ইউপি মেম্বার আকরাম হোসেন এবং সাবেক ইউপি মেম্বার ধোপাখোলা গ্রামের মইনুর রহমান।
Leave a Reply