
২০২৬ বিশ্বকাপের শিরোপার একবারে দোড়গোড়ায় গিয়েও খালি হাতে ফিরতে হয়েছে আলবিসেলেস্তাদের। ফলে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের অধরা স্বপ্নটা এবারও অপূর্ণই রয়ে গেছে। তবুও সেই হতাশার আবহ কাটতে না কাটতেই ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিশাল এক সুখবর পেল তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
গ্রীষ্মকালীন এই মেগা টুর্নামেন্টের ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের লড়াইয়ে স্পেনের কাছে হেরে যাওয়ার বেদনা এখনও তাড়া করে বেড়াচ্ছে লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থদের। তবে শিরোপা না জিতলেও দেশে ফিরে বুয়েনস আইরেসে সমর্থকদের ভালোবাসায় উন্মুক্ত বাস প্যারেডে অংশ নিয়েছিল তারা।
পরবর্তী আসর শুরুর আগেই স্কালোনির শিষ্যদের জন্য এসেছে এক স্বস্তিদায়ক সিদ্ধান্ত। আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফা-র এক ব্যতিক্রমী পরিকল্পনায় এবার যৌথভাবে ছয়টি দেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের আসর। স্বাগতিক হওয়ার সুবাদে আর্জেন্টিনাকে আর কঠিন মহাদেশীয় বাছাইপর্বের বৈতরণী পার হতে হবে না।
মূল টুর্নামেন্টের অধিকাংশ ম্যাচ স্পেন, পর্তুগাল এবং মরক্কোতে আয়োজিত হলেও, দক্ষিণ আমেরিকার তিন দেশ—আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়ে নিজেদের মাটিতে একটি করে ম্যাচ আয়োজন করবে। আর স্বাগতিক মর্যাদার অংশ হিসেবেই এই তিন দল সরাসরি মূল পর্বে খেলার সুযোগ অর্জন করেছে।
বিশ্বকাপ ফুটবলের শতবর্ষ পালনের বিশেষ উপলক্ষ হিসেবেই দক্ষিণ আমেরিকার এই তিন রাষ্ট্রকে সহ-আয়োজকের মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। কাতার বিশ্বকাপে বিশ্বসেরা হওয়া আর্জেন্টিনা দল এবার রিভার প্লেটের ঐতিহাসিক ‘এস্তাদিও মনুমেন্তাল’ স্টেডিয়ামে একটি ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। মূলত ১৯৩০ সালের প্রথম আসরের ফাইনালিস্ট হওয়ার স্বীকৃতি হিসেবেই এই সুযোগ পেয়েছে তারা।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মন্টেভিডিওর ঐতিহ্যবাহী ‘এস্তাদিও সেন্তেনারিও’-তে, যেখানে ফুটবলের বিশ্বমঞ্চের ইতিহাসের প্রথম ম্যাচটি আয়োজিত হয়েছিল। অন্যদিকে, সম্প্রতি জার্মানিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে চমক দেখানো প্যারাগুয়ে তাদের ম্যাচটি আয়োজন করবে আসুন্সিওনের ‘এস্তাদিও ওসভালদো দোমিনগেজ দিব্বে’ স্টেডিয়ামে।
Leave a Reply