
সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ ও আশাশুনি -০ ৩ সংসদীয় এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনায় সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতা ও মাষ্টার দা বাহিনীর প্রধান শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। সাবেক এমপি আ ফ ম রুহুল হকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত মাষ্টার দা বাহিনীর প্রধান শফিকুল তৎপরতায় এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। সে টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকার মৃত আব্দুল আজিজ কলু ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে জানা গেছে, কালীগঞ্জ ও আশাশুনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নাশকতার ছক কষছে মাষ্টার দা বাহিনীর প্রধান আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল । অভিযোগ রয়েছে, ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক এমপি আ ফ ম রুহুল হক সেখান থেকেই অনুসারীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন এবং তার পরামর্শ অনুযায়ী মাষ্টার দা বাহিনীর সংগঠিত হচ্ছে। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, মাষ্টার দা বাহিনীর একটি সক্রিয় সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, জমি দখলসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। মাষ্টার দা বাহিনীর বিরুদ্ধেও এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি ও সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। এই মাষ্টার দা বাহিনীর একাধিক সদস্যের নাম স্থানীয়ভাবে আলোচিত হলেও, তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। এদিকে ২৪ ডিসেম্বর মাষ্টার দা বাহিনীর প্রধান উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক কালীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম কে নাশকতা মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর মাষ্টার দা বাহিনীর প্রধান আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুলের তৎপরতা আবারও বাড়ছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতে, নাশকতার এমন অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তবে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও মাষ্টার দা বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি—যা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
Leave a Reply