1. adnanmim872@gmail.com : doinikinsafercokh :
  2. Munabbiha145@gmail.com : Munabbia A : Munabbia A
  3. fauzursabit135@gmail.com : Fauzur Sabit : Fauzur Sabit
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কোটালীপাড়ায় ৩ হাজার ৯৫০ পিস ইয়াবাসহ একজন গ্রেপ্তার দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর টেকনাফে র‍্যাবের হাতে ধরা ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি সীমান্তে ৫৯ বিজিবির উদ্যোগে মোবাইল ফোন সার্ভিসিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন গোমস্তাপুরে র‍্যাবের অভিযানে ২২৮ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার শিবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় ৪৫ লাখ টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল ও মাদক জব্দ মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালইং একমাত্র সম্তানকেও সহোদর বানিয়ে ভর্তি, অর্থ আত্মসাতের পর এবার নতুন বিতর্কে প্রধান শিক্ষক নবীনগরে ১৫০ প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য, সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থা বীরগঞ্জ পৌর দৈনিক বাজারের দোকানঘরের উদ্বোধন ও উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের সভাপতিকে ছুরিকাঘাতে  হত্যাচেষ্টা: আসামী সুরুজ আলী কারাগারে

নবীনগরে ১৫০ প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য, সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থা

সঞ্জয় শীল, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি :
  • Update Time : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪ Time View

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা সবচেয়ে সবচেয়ে বৃহৎ উপজেলা হলো নবীনগর উপজেলা। জেলার অন্য উপজেলার তুলনায় প্রায় দ্বিগুন হলেও নবীনগর উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মক সংকট ও স্থবিরতার মুখে পড়ছে দিন দিন।

একদিকে শিক্ষক সংকট অন্যদিকে প্রশাসনিক লোকবলের ঘাটতির কারণে উপজেলার সার্বিক প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় হচ্ছে অবনতি। জানা যায়, ২১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৫০টিতেই নেই কোনো প্রধান শিক্ষক। মাত্র ৬৯টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক দিয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। নেই শতাধিক সহকারী শিক্ষক।

বিদ্যালয়গুলোতেই নয়, শিক্ষা প্রশাসনের তদারকি ব্যবস্থাতেও তৈরি হয়েছে দূরবস্থা। প্রশাসনিক জনবল কাঠামো অনুযায়ী নবীনগরে একজন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ছাড়াও ১১ জন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার (এটিইও) পদ রয়েছে। বাস্তবে কর্মরত আছেন মাত্র একজন। ফলে ২১৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই বৃহৎ উপজেলার প্রায় ৫৫ হাজার শিক্ষার্থী ও ১,৪০০ শিক্ষকের দাপ্তরিক দায়িত্ব ও তদারকি একা সামলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন ওই কর্মকর্তা।

উপজেলা কমপ্লেক্সের প্রবেশমুখে অবস্থিত তিন তলাবিশিষ্ট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ভবনটির অবস্থাও শোচনীয়। দূর থেকে দেখলে মনে হয় এটি একটি পরিত্যক্ত ভবন। ভবনটির দু’টি কক্ষ ছাড়া বাকি সবগুলোতেই ঝুলছে তালা। টেবিলে স্তূপ হয়ে আছে ফাইলের পাহাড়। উচ্চমান সহকারী’র একমাত্র পদটি খালি, অফিস সহকারী ও কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিকের তিনটি পদের একটিতেও লোক নেই। এমনকি অফিস সহায়কের পদটিও শূন্য।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের চিত্রও অত্যন্ত শোচনীয়। তিন তলা ভবনের অধিকাংশ কক্ষই তালাবদ্ধ থাকে। উচ্চমান সহকারী ও অফিস সহকারী’র তিনটি পদই খালি। অফিস সহায়কের পদটিও শূন্য। বর্তমানে মাত্র একজন হিসাব সহকারী একা দাপ্তরিক নথি সামলাচ্ছেন আবু হানিফ। অতিরিক্ত মানসিক ও শারীরিক চাপে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

আবু হানিফ বলেন, ২০১২ সালে যোগদানের সময় আমরা চারজন ছিলাম। ২০১৮ সালে তিনজন অবসরে যাওয়ার পর দু’জনে মিলে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কাজ চালিয়েছি।আতিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল খালেক হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ১১ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার জায়গায় একজন দিয়ে এত বড় উপজেলার তদারকি সম্ভব নয়। সামান্য কাজের জন্য এসে পাঁচ থেকে সাত ঘণ্টা বসে থাকতে হয়, কাজ না হলে ফিরে যেতে হয়।

একই সুর গোসাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছাম্মৎ তাসলিমা জাহান, শ্যামগ্রামের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ডালিয়া সুলতানা এবং আশরাফপুরের প্রধান শিক্ষক আরজুদা বেগমের কণ্ঠে। তারা জানান, কর্মকর্তা ও কেরানি না থাকায় অফিসের প্রয়োজনীয় কাজ ঠিকমতো হচ্ছে না।উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: মানিক ভূঁইয়া জানান, গত সাত মাস ধরে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে একা পুরো উপজেলার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তিনি। দাপ্তরিক স্টাফ না থাকায় কাজ চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তার ওপর ১৫০টি স্কুলে প্রধান শিক্ষক ও সমপরিমাণ সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় তদারকি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Themes By BDITWork.Com