1. adnanmim872@gmail.com : doinikinsafercokh :
  2. Munabbiha145@gmail.com : Munabbia A : Munabbia A
  3. fauzursabit135@gmail.com : Fauzur Sabit : Fauzur Sabit
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩০ অপরাহ্ন

দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণের ঘোষণা

স্টাফ রিপোর্টার রাবেয়া খাতুন
  • Update Time : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ১২ Time View

মোংলায় দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণ এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৮৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নৌপরিবহন ও সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।..

‎মোংলা নদীর ওপর দশম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রোববার ১৬ আগস্ট বিকেলে মোংলা বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত এক সংবর্ধনা সভায় তিনি জানান, এই অঞ্চলের যোগাযোগ অবকাঠামোকে আধুনিকায়ন করতে সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু করার প্রক্রিয়া চলমান রেখেছে। মূলত মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে যে অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে, তাকে ত্বরান্বিত করতেই এই সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী দাবি করেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মোংলাকে একটি পরিকল্পিত শিল্প ও বাণিজ্যিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সেতুটি নির্মিত হলে মোংলা বন্দরের সাথে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সুগম হবে এবং পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

‎স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে মোংলা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের (এসইজেড) কার্যক্রমকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর মাস থেকে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হবে, যেখানে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। পরবর্তী ধাপে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন হলে আরও প্রায় ৬০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। স্থানীয় ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই অঞ্চলের বেকারত্ব নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ সংবর্ধনা সভায় মন্ত্রীর কাছে মোংলার অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন, কেবল সেতু নির্মাণ নয়, বরং অর্থনৈতিক অঞ্চলের সুবিধাগুলো যেন স্থানীয়রা দ্রুত ভোগ করতে পারে, তা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর তারা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।

‎সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে নেওয়া মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার কোনো ধরনের শৈথিল্য প্রদর্শন করবে না। মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম স্থানীয় নেতাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, মোংলার উন্নয়ন কেবল একটি প্রকল্পের ওপর নির্ভর করছে না, বরং বন্দর ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। প্রশাসনিক ও কারিগরি পর্যায়ে যে সকল জটিলতা রয়েছে, তা নিরসনে দ্রুত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে স্থানীয় সুশীল সমাজ। তাদের মতে, সরকারি প্রকল্পের সময়সীমা যেন কোনোভাবেই দীর্ঘায়িত না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এসব অবকাঠামোর কাজ দৃশ্যমান হবে এবং স্থানীয় অংশীজনদের সাথে সমন্বয় রেখে প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Themes By BDITWork.Com