
২০১৬ সালে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার খয়েরতলা গ্রামে শামীম হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে মহেশপুর থানার বর্তমান ওসি ইমরান হোসেনকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। মামলার বাদীর দাবি, তাঁর ছেলে শামীম হত্যার সঙ্গে ইমরান হোসেনের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে খয়েরতলা গ্রামের শামীম হত্যার ঘটনায় রুহুল আমিন নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে ঝিনাইদহ আদালতে ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলার প্রাথমিক আসামির তালিকায় ইমরান হোসেনের নাম ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
পরবর্তীতে মামলার বাদী আদালতে আবেদন করে ছয়জনের নাম বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নেন বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। বাদীর বক্তব্য অনুযায়ী, ওই তালিকায় ইমরান হোসেনের নামও ছিল।
মামলার বাদী রুহুল আমিনের দাবি, সে সময় কয়েকজনের প্ররোচনায় পড়ে তিনি একাধিক ব্যক্তির নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন, ইমরান হোসেনসহ কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর ছেলের হত্যাকাণ্ডের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। এ কারণে তাঁদের নাম বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন।
রুহুল আমিন আরও বলেন, মহেশপুর থানার বর্তমান ওসি ইমরান হোসেন তাঁর ছেলে শামীম হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘নির্বাণ নিউজ’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ইমরান হোসেনকে নিয়ে নেতিবাচক প্রচার চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ওই প্রচারিত সংবাদ মুছে দেওয়ার কথা বলে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী অরিত্র কুন্ড নামের এক ব্যক্তি ইমরান হোসেনের কাছে অর্থ দাবি করেন।
Leave a Reply