
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ঝিনাইদহ জেলার ইতিহাসে এমন গৌরবময় ও অভূতপূর্ব ঘটনা এবারই প্রথম। রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নীতি-নির্ধারণী তিনটি দায়িত্বে রয়েছেন এই জেলারই তিনজন কৃতি সন্তান:
আইনমন্ত্রী: জনাব আসাদুজ্জামান আসাদ
অ্যাটর্নি জেনারেল: রুহুল কুদ্দুস কাজল
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী: রাশেদ খান
এই ধরনের শীর্ষ পদে একসঙ্গে তিনজনের অবস্থান জেলাবাসীর মনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে। সাধারণ মানুষের এখন একটাই কথা—আমরা আর কোনো নির্দিষ্ট আসন বা এলাকাভিত্তিক খণ্ডিত উন্নয়ন চাই না; আমরা চাই পুরো ঝিনাইদহ জেলার একটি সুষম ও সম্মিলিত উন্নয়ন।
মাগুরার দৃষ্টান্ত ও আমাদের সম্ভাবনা:
বিগত বছরগুলোতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে যে একটি অবহেলিত অঞ্চলের রূপান্তর সম্ভব, তার বড় প্রমাণ পার্শ্ববর্তী জেলা মাগুরা। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পিএস থাকাকালীন শেখর সাহেবের একক প্রচেষ্টা এবং হেভিওয়েট মন্ত্রী বীরেন শিকদারের উপস্থিতিতে মাগুরায় প্রায় ৫,০০০ কোটি টাকার দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছিল। যার ফলে মাগুরার উন্নয়ন আজ চোখে পড়ার মতো। যদি মাগুরায় তা সম্ভব হয়, তবে ঝিনাইদহের এই তিন দিকপালের হাত ধরে আমাদের জেলায় কেন সম্ভব নয়?
উন্নয়ন আর দাবি নয়, অধিকার:
বিগত ১৭ বছরে ঝিনাইদহের চারটি আসনই চরমভাবে অবহেলিত ছিল। সাধারণ মানুষের স্পষ্ট ক্ষোভ—এলাকার সার্বিক কোনো উন্নয়ন হয়নি, কেবল কিছু ব্যক্তিকেন্দ্রিক ও নেতাকর্মীদের পকেট উন্নয়ন হয়েছে।
তাই এবার জেলাবাসী ভীষণ আশাবাদী। এই তিন শীর্ষ ব্যক্তিত্বের সদিচ্ছা ও সম্মিলিত উদ্যোগই পারে ঝিনাইদহের অবহেলিত জনপদকে একটি আধুনিক ও মডেল জেলায় রূপান্তর করতে। সাধারণ মানুষ এখন অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছে—রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তিতে থেকে তারা নিজ জেলার সাধারণ মানুষের জন্য কী স্থায়ী অবদান রেখে যান।
Leave a Reply