
তথ্যপ্রযুক্তির জাদুতে সম্পূর্ণ ক্লুলেস একটি মার্ডার কেসের অবসান ঘটালো ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের চৌকস টিম। ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই এলাকার সাদাতিয়া সড়কের একটি ভাড়া বাসা থেকে গত ১৩ মে উদ্ধার হওয়া হোটেল কর্মচারী খুশি খাতুনের হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য অবশেষে উন্মোচিত হয়েছে।
নেপথ্যের ঘটনা ও পুলিশের চিরুনি অভিযান: ঘটনার পর থেকেই খুনি পলাতক থাকায় মামলার কোনো ক্লু খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তদন্ত যখন সম্পূর্ণ অন্ধকারে, ঠিক তখনই আলোর দিশা দেখায় ঝিনাইদহ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিখুঁতভাবে আসামির অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
শনিবার (১৮ জুলাই) ভোরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) এসআই রোকনুজ্জামান এবং সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের একটি যৌথ টিম সাতক্ষীরার দেবহাটা থানার খলিশাখালী গ্রামের একটি প্রত্যন্ত মাছের ঘের থেকে ঘাতক প্রেমিক মোঃ সাঈদ মেহেদী (২৪)-কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পরকীয়া, সন্দেহ ও নির্মম হত্যাকাণ্ড: পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সাঈদ মেহেদী জানায়, নিহত খুশির সাথে তার দীর্ঘদিনের বিবাহবহির্ভূত প্রেমের সম্পর্ক ছিল। স্বামী পরিচয়ে সে ওই রাতে খুশির ভাড়া বাসায় ওঠে। অন্য ছেলেদের সাথে মোবাইলে কথা বলার সন্দেহে তৈরি হওয়া তীব্র ঝগড়ার একপর্যায়ে, গভীর রাতে খুশিকে বালিশ চাপা দিয়ে নির্মমভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যায় সাঈদ।
Leave a Reply