
সম্প্রতি ‘৭১ বাংলা অনলাইন পেজ’ এর কথিত সাংবাদিক শামীম এবং পাথরা গ্রামের আসাদুল কর্তৃক পল্লী বিদ্যুতের মোটর সংযোগ ও সাধারণ একজন ইলেকট্রিক হেল্পার পলাশকে জড়িয়ে যে মনগড়া, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পোস্ট করা হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এই পুরো ঘটনার ভেতরের আসল সত্যটি সবার সামনে তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি মনে করছি:
১. মোটর সংযোগের আসল নিয়ম: পল্লী বিদ্যুতের নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো মোটর সংযোগের জন্য গ্রাহককে স্ব-শরীরে অফিসে উপস্থিত হতে হয়। গ্রাহক নিজে এবং পিইউসি (PUC) কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কারও পক্ষে এই ফাইলে স্বাক্ষর বা অনুমোদন দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সুতরাং, এই প্রক্রিয়া নিয়ে ডিজিএম (DGM) বা পিইউসি-কে জড়িয়ে যে তথাকথিত “সতর্কবার্তা” দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণ হাস্যকর, অযৌক্তিক এবং প্রশাসনিক নিয়ম সম্পর্কে অজ্ঞতার প্রমাণ।
২. পলাশ কোনো দালাল নয়, একজন সাধারণ কর্মী: যাকে ‘দালাল’ বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, সেই পলাশ মূলত একজন সাধারণ ইলেকট্রিক হেল্পার, যে গ্রামে-গঞ্জে কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করে। সে নিজে পল্লী বিদ্যুতের দুটি মিটারের বৈধ গ্রাহক। নিজের বিদ্যুৎ বিল দেওয়া এবং গ্রাহক হিসেবে নিজের প্রয়োজনে সে বিদ্যুৎ অফিসে যেতেই পারে। একজন নিয়মিত গ্রাহককে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে দালাল আখ্যা দেওয়া তীব্র নিন্দনীয়।
৩. অপপ্রচারের আসল কারণ (চাঁদাবাজি): অনুসন্ধানে জানা গেছে, কথিত কিছু অনলাইন সাংবাদিক পলাশের কাছে মাসিক মাসোহারা বা অবৈধ টাকা দাবি করেছিল। পলাশ তা দিতে অস্বীকার করায় তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে এবং ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে এই ধরনের মিথ্যা গুজব ও মনগড়া খবর ছড়ানো হচ্ছে।
৪. কর্মকর্তাদের ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা: নিজেদের আখের গোছাতে না পেরে পল্লী বিদ্যুতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ওপর দোষ চাপিয়ে তাদের ব্ল্যাকমেইল করার যে নোংরা চেষ্টা চলছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কথায় কথায় প্রমাণ ছাড়া কর্মকর্তাদের জড়িয়ে অপপ্রচার চালালে প্রতিষ্ঠানের সততা ও কাজের পরিবেশ নষ্ট হয়।
আমাদের দাবি:
আমরা এই সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। সাংবাদিকতার নামে যারা চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন হোক এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
Leave a Reply