1. adnanmim872@gmail.com : doinikinsafercokh :
  2. Munabbiha145@gmail.com : Munabbia A : Munabbia A
  3. fauzursabit135@gmail.com : Fauzur Sabit : Fauzur Sabit
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুবিধা ৩৬ দেশে চুয়াডাঙ্গায় ছাগল চুরির দায়ে যুবকের ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড  প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন রাশেদ খান পাইকগাছায় ৪ লক্ষ অবৈধ চিংড়ি রেনু জব্দ, শিবসা নদীতে অবমুক্ত ভাঙ্গায় র‍্যাবের অভিযান; ৩০ লাখ টাকার ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, কাভার্ড ভ্যান জব্দ ‘বিএনপিকে সঙ্গে নিয়েই উন্নয়ন করতে হবে’ – কানাইঘাটে এমপি শাম্মী আক্তার ফাইনালে ১৬ লাখ টাকা দাম এক টিকিটের,অসন্তোষ মূল্য নিয়ে ফাইনালে তিন পরিবর্তন নিয়ে আর্জেন্টিনা স্কোয়াড মহেশপুরে জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীকে নিয়ে সাংবাদিক ইলিয়াসের ধৃষ্টতার তীব্র নিন্দা ছাত্র জমিয়তের

বর্ণি বাওড়ে এখনো চলে খেয়া, বৈঠা হাতে রসুলের জীবনসংগ্রাম

গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১৯ Time View

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বর্ণি বাওড়ে সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে অনেক কিছু। যোগাযোগব্যবস্থায় এসেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। তবে থেমে নেই খেয়া নৌকার চলাচল। এখনো বর্ণি ও কুশলী ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম ভরসা এই খেয়া।

বর্ণি ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. রসুল খান দীর্ঘদিন ধরে খেয়া নৌকা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তিনি বাকপ্রতিবন্ধী। প্রতিদিন বাওড় পারাপার করে গড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা আয় করেন। প্রতি যাত্রীর কাছ থেকে ভাড়া নেন ১০ টাকা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সপ্তাহে দুই দিন কুশলী হাট বসে। ওই দুই দিন বাওড় পারাপারে যাত্রীর চাপ বেড়ে যায়। ফলে রসুল খানের আয়ও কিছুটা বাড়ে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে এই পথে কালাম শেখ, হাশেম ও কায়সারসহ কয়েকজন মাঝি খেয়া চালিয়েছেন। বর্তমানে রসুল খান একাই নিয়মিত খেয়া পারাপারের কাজ করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মধুমতী নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে বর্ণি বাওড়ের সৃষ্টি। এটি শুধু একটি জলাভূমি নয়, দুই পাড়ের মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগেরও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বাওড়টিতে দেশীয় মাছের বিচরণ রয়েছে। পাশাপাশি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে এটি এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।

আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থার এই সময়েও বর্ণি বাওড়ে খেয়া নৌকার চলাচল স্থানীয় মানুষের কাছে পুরোনো ঐতিহ্যের স্মৃতি ধরে রেখেছে। আর সেই ঐতিহ্যের সঙ্গে নিজের জীবিকার বন্ধন তৈরি করে প্রতিদিন বৈঠা হাতে নৌকা চালিয়ে যাচ্ছেন মাঝি রসুল খান।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Themes By BDITWork.Com