
যশোরের এমএসটিপি স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও বুকে আঘাত করার অভিযোগে শিমুল মণ্ডল নামের এক শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সাথে ঘটনাটি তদন্ত করে আগামী দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর স্বজনদের অভিযোগ, শিক্ষকের আঘাতের ফলে ওই ছাত্রীর বুকের দুই পাশে গুরুতর কালশিটে এবং রক্ত জমাট বাঁধার মতো দাগ সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হলে আজ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ জানান ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিভাবকদের অভিযোগের পরিপ্রক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষক শিমুল মণ্ডলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করবে এবং প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বিক্ষোভের সময় একাধিক শিক্ষক ও পুরুষ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আরও কিছু গুরুতর অভিযোগ তোলেন অভিভাবকেরা। তাদের দাবি, অনেক শিক্ষক তাদের কাছে বাধ্যতামূলক প্রাইভেট কোচিং করার জন্য শিক্ষার্থীদের চাপ দেন; অন্যথায় পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এ ছাড়া একাধিক পুরুষ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও অযাচিত স্পর্শের অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব কারণে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
অভিভাবক মহল থেকে এসব অভিযোগের দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পাদন করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়েছে।
Leave a Reply